• শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
  • English Version

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক / ৮৬ ফেসবুক শেয়ার
আপডেট সময় : রবিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২১
bd national news,

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলছেন, বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন জনশক্তিতে রূপান্তর করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আন্তর্জাতিক সম্মেলনে’র সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করে একথা বলেন তিনি।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অবকাঠামোগত দিক থেকে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রযুক্তি সবার জন্য উন্মুক্ত করার ক্ষেত্রে উন্নত দেশগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আইটি পার্কগুলোতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন কোম্পানি বিনিয়োগ করছে। আইসিটি ও সফটওয়্যার শিল্প বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে নেতৃত্ব দেবে বলেও আশা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ সৃষ্টি করেছি। এক্ষেত্রে তিনি তাঁর আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়কে কৃতিত্ব প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমরা অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই শিল্পোন্নয়নে (আইএসআইডি) কাজ করছি, ‘এসডিজি প্রোগ্রেস এওয়ার্ড’ পেয়েছি। আমরা লক্ষ্য স্থির করে দেশ পরিচালনা করি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পর এখন আমরা ‘উদ্ভাবনী বাংলাদেশ’-এর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ২০৪১ সালের মধ্যে যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখছি, সেটাই হবে চতুর্থ শিল্প-বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ভিত্তি হিসেবে তিনটি বিষয় তার সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে, উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এরমধ্যে রয়েছে-অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিল্পের বিকাশ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী বাহিনী সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা শেখ মুজিব স্বাধীনতা অর্জনের পর মাত্র নয় মাসেই একটি সংবিধান প্রণয়ন করেছেন এবং এই তিনটি বিষয়কে রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন- ১৬-অনুচ্ছেদে ‘জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য দূরীকরণে গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতায়ন, কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ’, ১৭(খ)-অনুচ্ছেদে ‘সময়ের প্রয়োজনে শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নাগরিক সৃৃষ্টি’ এবং ১৮(ক) অনুচ্ছেদে ‘বর্তমান ও ভবিষ্যত নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ’।

জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্থ দেশ পূণর্গঠনকালেই দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করেন এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ^বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন প্রতিষ্ঠা করেন। বিজ্ঞান ও গবেষণা ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে ‘কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন’ গঠন করেন বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ ও সদস্য মো. সাজ্জাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও উপস্থাপনা প্রদর্শিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর