
দীর্ঘদিন ধরে সঙ্গে থাকা গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ডাটা
পোর্টফোলিও চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এই উদ্যোগের
মাধ্যমে নিজেদের ‘পিপল-ফার্স্ট’ অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করল প্রতিষ্ঠানটি।
দীর্ঘমেয়াদি ও ধারাবাহিক ব্যবহারকে পুরস্কৃত করার মাধ্যমে
বাংলালিংক শুধু সেবাদানের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। গ্রাহকের যথাযথ মূল্যায়নের মধ্য
দিয়ে টেলিযোগাযোগ খাতে একটি নতুন মানদণ্ডও স্থাপন করছে তারা।
৩০ জানুয়ারি থেকে চালু হওয়া এই উদ্যোগে থাকছে রিপারচেজ
বোনাস এবং ত্রৈমাসিক (কোয়ার্টারলি) অ্যাডভান্স প্যাক। এ উদ্যোগের লক্ষ্য দীর্ঘমেয়াদে
বাংলালিংকের সঙ্গে আছেন এমন গ্রাহকদের জন্য সর্বোচ্চ সুবিধাসমৃদ্ধ ও একদম ঝামেলাহীন
ডিজিটাল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা।
বাংলালিংকের ৬৯৯ টাকা ও ৮১৯ টাকার হাই-ভ্যালু প্যাক
ব্যবহারকারীদের জন্য থাকছে ধারাবাহিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ পুরস্কার। নির্দিষ্ট
সময়ের মধ্যে প্যাক পুনরায় কিনে ‘স্ট্রিক’ ধরে রাখতে পারলে ৬৯৯ টাকার প্যাকে মিলবে ২৫
জিবি বোনাস ডাটা। আর ৮১৯ টাকার প্যাকে পাওয়া যাবে ৩৫ জিবি অতিরিক্ত ডাটা।
অনেক গ্রাহকই মাসে মাসে রিনিউয়ের ঝামেলা এড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদি
পরিকল্পনা পছন্দ করেন। বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই বাংলালিংক এনেছে ৩ মাসের (৯০ দিন) কোয়ার্টারলি
প্যাক। এই প্যাক নিলে গ্রাহকেরা টানা ৯০ দিন নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। পাশাপাশি ডাটার
পরিমাণে মিলবে ৩০ শতাংশ অতিরিক্ত বোনাস।
লয়্যালটি রিওয়ার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়াটিও সহজ করেছে বাংলালিংক।
গ্রাহকেরা মাইবিএল অ্যাপ, সরাসরি রিচার্জ, ইউএসএসডি কিংবা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস
(এমএফএস) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই এসব সুবিধা নিতে পারবেন।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে বাংলালিংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার
কাজী মাহবুব হাসান বলেন, “যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সঙ্গে আছেন, তাঁদের মূল্যায়ন করাই
আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধরনের লয়্যালটিকে সম্মান জানানো উচিত
এবং তার যথাযথ মূল্যায়ন হওয়া প্রয়োজন। একটি ‘পিপল-ফার্স্ট’ ব্র্যান্ড হিসেবে আমরা শুধু
কানেক্টিভিটিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না। যাঁরা প্রতিনিয়ত আমাদের ওপর আস্থা রাখছেন এবং
যাঁদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে আমাদের নেটওয়ার্ক, আমরা তাঁদের
পাশে থাকতে চাই। এই মূল্যবোধ থেকেই আমরা বিভিন্ন অর্থবহ প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস নিয়ে
এসেছি। এগুলো কোনো সাময়িক অফার নয়। গ্রাহকের বাস্তব জীবনের অভ্যাস ও মানসিক শান্তির
কথা ভেবেই এসব সুবিধা তৈরি করা হয়েছে। গ্রাহকরা যখন আমাদের প্রতি আস্থা রাখেন, আমরা
সেই আস্থার প্রতিদান দিই আরও বেশি সুযোগ–সুবিধা ও সত্যিকারের চিন্তামুক্ত অভিজ্ঞতা
নিশ্চিত করার মাধ্যমে।”
এমন দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও হাই-ভ্যালু গ্রাহকদের চাহিদাকে
অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে বাংলালিংক এমন একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে নেতৃত্ব
দিচ্ছে যেখানে গ্রাহক-বিশ্বস্ততাই সবচেয়ে মূল্যবান অনুষঙ্গ।
আওয়াজ ডটকম ডটবিডি, ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬